
পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ৬৫ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগের প্রতিষ্ঠানকে সব স্তরে ব্যবসার সুযোগ দেয়া হয়েছে নীতিমালায়। অর্থাৎ গ্রাহক পর্যায়ে ব্যবসার পাশাপাশি মোবাইল অপারেটরের বিদেশি মালিকরা চাইলে টাওয়ার কিংবা ফাইবার নেটওয়ার্ক নির্মাণে বিনিয়োগ করতে পারবে। অথচ একই সুবিধা রাখা হয়নি দেশীয় উদ্যোক্তাদের জন্য।
টাওয়ার কিংবা এনটিটিএন লাইসেন্সধারী দেশি প্রতিষ্ঠানকে সাবমেরিন ক্যাবলসহ আন্তর্জাতিক অন্যান্য পরিষেবা খাতে কোনো লাইসেন্স না দেয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই নীতিমালা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে গত ৩ জুলাই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘একতরফাভাবে এমন একটি নীতি প্রণয়ন করা ঠিক হবে না। এতে নতুন প্রযুক্তির বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। বড় টেলিকম কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ছোট কোম্পানিগুলো পাল্লা দিয়ে টিকে থাকতে পারবে না। নীতিমালায় পরিষ্কার ব্যাখ্যার অভাবে বড় কোম্পানিগুলো সুযোগ নিতে পারে।’